গোলাপগঞ্জে পূর্ব খর্দ্দাপাড়া-পাতনিয়া রাস্তার বেহাল অবস্থা, দেখার কেউ নেই

স্টাফ রিপোর্ট :: অল্প বৃষ্টিতে চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায় গোলাপগঞ্জের ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের পূর্ব খর্দ্দাপাড়া পাতনিয়া কাঁচা রাস্তাটি। এই রাস্তা দিয়ে ঢাকাদক্ষিণ বাজারে ঢাকাদক্ষিণ, লক্ষণাবন্দ সহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষ চলাচল করেন।

বর্ষাকালে এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি খানাখন্দ, গর্ত ও কর্দমাক্ত হয়ে যায়। প্রতিনিয়তই চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন স্থানীয় জনসাধারণ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, অসুস্থ রোগী সহ স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তার বেশিরভাগই রাস্তাটি কাদামাটি খানা-খন্দে ভরে গেছে। কাদামাটি ও বৃষ্টির পানির সংমিশ্রণে কাদার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। দেখলে মনে হবে, এটি রাস্তা নয় ধানের চারা রোপণের জন্য হাল চাষ করা হয়েছে। রাস্তাটির এমনই বেহাল দশা যে কোনো গাড়ি চলাচল করতে পারে না। এমনকি হেঁটে চলাচলেরও কোন অবস্থা নেই। শত বছরের পুরনো এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করেন। 


নানু মিয়া নামের আরেক ব্যক্তি জানান, ‘প্রতিদিনই আমাদের এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয়। বৃষ্টিতে রাস্তাটি একদম চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। শত ভোগান্তি নিয়েই এ রাস্তা দিয়ে আমাদের যাতায়াত করতে হয়। আমি সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে অনুরোধ করছি দ্রুত এ রাস্তা মেরামত করার ব্যবস্থা করেন।’

খর্দ্দাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিশিষ্ট মুরব্বি কলা বলেন, ‘গোলাপগঞ্জের মধ্যে মনে হয় এতো খারাপ রাস্তা আর নেই। এই রাস্তাটি শতবছর পুরনো। প্রতিদিন হাজারো মানুষ রি রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন। জনগুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করতে জনপ্রতিনিধি সহ সকলের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

ফয়জুল ইসলাম নামের আরেক যুবক জানান, পুরো বর্ষায় কাদামাটি মাড়িয়ে রাস্তা দিয়ে চলাচল করা আমাদের জন্য চরম কষ্টের। ছেলেমেয়েদের স্কুল কলেজে যেতে কষ্ট হয়, অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিতে হলে কোলে করে নিতে হয়। রাস্তার বিষয়ে অনেকবার অনেকের কাছে যাওয়া হয়েছে কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। আমাদের এলাকার কাঁচা রাস্তাটি পাকাকরণের জন্য সিলেট-৬ আসনের এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী সহ ও অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রেজাউল করিম রাজু জানান, রাস্তাটি জনবহুল এলাকায় অবস্থিত। কিন্তু কাঁচা রাস্তার কারণে বর্ষায় চলাচল করা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। 
বৃষ্টি হলে এসব রাস্তায় কাদাপানিতে একাকার হয়ে যায়। জনসাধারণকে চলাচল করতে সীমাহীন কষ্ট করতে হয়। আমি ওয়ার্ডবাসীর পক্ষ থেকে রাস্তাগুলো পাকাকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে স্থানীয় চেয়ারম্যান, এমপি ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
নবীনতর পূর্বতন